বিমানের যাত্রীদের জন্য ব্যাটারি ও ধারালো সামগ্রীর নির্দেশিকা
১. চেক ইন ব্যাগে (Checked-in Baggage) যা রাখা যাবে না (ব্যাটারি সম্পর্কিত)
মূলত, যে সমস্ত ব্যাটারিতে আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে, সেগুলিকে চেক ইন ব্যাগে (বক্সে) রাখা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। এগুলি আপনার কেবিন ব্যাগে (সাথে বহনযোগ্য ব্যাগ) নিয়ে যেতে হবে।
লিথিয়াম মেটাল ব্যাটারি এবং লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি:
স্পেয়ার/আলগা ব্যাটারি (যেমন- পাওয়ার ব্যাঙ্ক, আলগা ল্যাপটপ বা ক্যামেরা ব্যাটারি)।
পাওয়ার ব্যাঙ্ক (Power Banks) – কারণ এগুলিকে স্পেয়ার ব্যাটারি হিসেবে ধরা হয়।
ই-সিগারেট, ভেপিং ডিভাইস, হিটিং ডিভাইস: এগুলিতে লিথিয়াম ব্যাটারি থাকে বলে চেক ইন ব্যাগে নিষিদ্ধ। এগুলি অবশ্যই কেবিন ব্যাগে নিতে হবে।
অনেক সময়, উচ্চ ওয়াট-ঘণ্টা (Wh) রেটিং-এর ব্যাটারি যুক্ত বড় ডিভাইসও (যেমন- Hoverboards/Segways) একেবারেই নিষিদ্ধ থাকে।
💡 মূল কথা: পাওয়ার ব্যাঙ্ক এবং স্পেয়ার ব্যাটারি সবসময় কেবিন ব্যাগে (Carry-on) নিতে হবে, চেক ইন ব্যাগে নয়। ডিভাইসের ভেতরে থাকা ব্যাটারি সাধারণত অনুমোদিত।
২. কেবিন ব্যাগে (Cabin Baggage) যা রাখা যাবে না (ধারালো সামগ্রী সম্পর্কিত)
যাত্রী ও বিমানের নিরাপত্তার জন্য যেকোনো ধরনের ধারালো বা তীক্ষ্ণ বস্তু কেবিন ব্যাগে (Carry-on) নেওয়া নিষিদ্ধ। এগুলো অবশ্যই আপনার চেক ইন ব্যাগে রাখতে হবে।
ব্লেড, ছুরি, কাঁচি: সব ধরনের ছুরি (এমনকি ছোট পকেট ছুরি), রেজর ব্লেড, ও বড় কাঁচি।
ধারালো হাতিয়ার: স্ক্রু-ড্রাইভার, প্লায়ার্স, ড্রিল বিট, যেকোনো ধরনের কাজের যন্ত্রপাতি (Tools)।
ক্রীড়া সরঞ্জাম: ক্রিকেটের ব্যাট, হকি স্টিক, গল্ফ ক্লাব, স্কি পোলস ইত্যাদি (এগুলো বেশিরভাগ সময় চেক ইন ব্যাগে দিতে হয়)।
সুঁই ও সিরিঞ্জ: চিকিৎসার প্রয়োজনে হলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখাতে হতে পারে।
💡 মূল কথা: নিরাপত্তার কারণে, ধারালো কিছু আপনার সাথে কেবিন ব্যাগে রাখা যাবে না।


